আশা বাড়ালেন ‘বাজপাখি’ মাশরাফী…

তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ইমাম-উল-হককে নিয়ে শোয়েব মালিক বাংলাদেশের চিন্তা বাড়াচ্ছিলেন। জুটি যখন ৬৭ রানের, তখন পাখির মতো উড়ে ক্যাচ নিয়ে মালিককে সাজঘরে পাঠান অধিনায়ক মাশরাফী।

মাশরাফী ক্যাচটি নেন ২১তম ওভারে। রুবেলের প্রথম বলটি মিডউইকেট দিয়ে ফ্লিক করতে যান মালিক। শর্টমিড উইকেটে ছিলেন মাশরাফী। সুপারম্যানের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ধরে ফেলেন। ৫১ বলে ৩০ রানে ফিরতে হয় মালিককে।

এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরুতে পাকিস্তানি টপঅর্ডার নাড়িয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনে চার ওভারের ভেতর তিন উইকেট তুলে নেন।

স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। মাশরাফী বলে পাঠান মিরাজকে। ফখর আজম (১) উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিডঅনে রুবেলের চোখজুড়ানো ক্যাচের শিকার হন। অনেকটা বেঁকে লাফিয়ে উঠে বল ধরে ফেলেন রুবেল।

পরের ওভারে বাবর আজমকে ফেরান মোস্তাফিজ। ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে ওভার দ্য উইকেটে বল করেন। লেগ-মিডলে পিচ করে অফস্টাম্পে টার্ন করে। বাবর ডিফেন্স করতে গিয়ে লাইন মিস করে প্যাডে লাগান। আম্পায়ার তর্জনী উঁচু করে ফেরার নির্দেশ দেন। রিভিউ না নিয়েই পথ ধরেন বাবর (১)।

চতুর্থ ওভারে আবার আক্রমণে আসেন মোস্তাফিজ। প্রথম দুই বল ঠিকমতো লাইনে রাখতে ব্যর্থ হন। তৃতীয় বলটি মনের মতো করেন। ওভার দ্য উইকেট থেকে উড়ে যাওয়া বল অফস্টাম্পের বাইরে ছিল। সরফরাজ (১০) ঠিকমতো পা না নিয়ে ব্যাট চালিয়ে দেন। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় প্রথম স্লিপে। মুশফিক ডাইভ দিয়ে সেটি ধরে ফেলেন।

আবু ধাবিতে বাংলাদেশ এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করে। মুশফিক (৯৯)-মিঠুনের (৬০) ১৪৪ রানের জুটিতে ২৩৯ রানে অলআউট হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

Rate this post